Breaking News
Home / প্রথম পাতা / হোটেলে অসা’মা’জিক কা’র্যকলাপ, ১৪ নারী-পুরুষ ধ’রা

হোটেলে অসা’মা’জিক কা’র্যকলাপ, ১৪ নারী-পুরুষ ধ’রা

ট্টগ্রামে একটি আ’বা’সি’ক হো’টে’লে বিশেষ অ’ভি’যা’ন চালিয়ে অ’সা’মা’জি’ক কার্যকলাপে জ’ড়ি’ত ১৪ না’রী-পু’রু’ষকে আ’ট’ক ক’রেছে পু’লি’শ।

শু’ক্রবার বিকেলে নগরীর ডবলমুরিং থা”নার দেওয়ানহাট এলাকার একটি আ’বা’সি’ক হো’টে’ল থেকে তাদের আ’ট’ক করা হয়। ডবলমুরিং থা”নার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, গো’প’ন সংবাদের ভি’ত্তিতে আ’বা’সি’ক হো’টে’লটিতে অ’ভি’যা’ন চালানো হয়। এ সময় অ’সা’মা’জি’ক ক’র্মকাণ্ডে জ’ড়ি’ত ১৪ জনকে আ’ট’ক করা হয়েছে।

এর মধ্যে ৭ জন পু’রু’ষ ও ৬ জন না’রী রয়েছেন। শনিবার তাদের আ’দা’ল’তে পাঠানো হবে। আরোও পড়ুনঃ বিয়ে নয়, টাকার বিনিময়ে ঝর্ণার সঙ্গে মে’লামে;শা করতেন মামুনুল! (ভিডিও)– গত ৩ এপ্রিল এক না’রীকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টে অবকাশ যাপনের সময় হাতেনাতে ধ;রা পড়েন হেফাজতে ইসলাম নেতা মামুনুল হক।

তিনি দাবি ক’রেন, ওই না’রী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে ঘ’ট’নার পর প্রায় এক ডজন অডিও-ভিডিও ফাঁস হওয়ার কারণে প্র’কা’শ্যে এসেছে হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হকের অ’নৈ’তি’ক ক’র্ম। তাঁর ‘মানবিক বি’য়ে’ গল্পের অসারতাও প্রমাণিত হয়েছে। মাওলানা মামুনুল হকের স’ঙ্গে থাকা ওই না’রীর নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা (২৭)।

আট ভাই-বোনের মধ্যে ঝর্ণা দ্বিতীয়। মামুনুল হক ওই সময় না’রীর নাম আমেনা তৈয়্যেবা বললেও তার নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা। জান্নাত আরা ঝর্ণার আগে বিয়ে হয়েছে, সেই ঘরে আব্দুর রহমান ও তামীম নামে দুজন পুত্র সন্তান আছে। এবার হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কথিত স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার লেখা ২০০ পৃষ্ঠার ৩টি ডায়েরি খুঁজে পাওয়া গেছে।

যাতে রয়েছে চা’ঞ্চ’ল্য’ক’র সব তথ্য। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডায়েরিগুলো তার মায়ের বলে নিশ্চিত ক’রেছেন ঝর্ণার পুত্র আব্দুর রহমান। ঝর্ণার ডায়েরিতে লেখা, ‘আমাকে বিয়ে না ক’রেই গ্রীনরোডের একটি বাসায় রাখেন মামুনুল হক। আমাকে খরচের টাকাও দিতেন। কিন্তু বি’য়ে ক’রে স্ত্রী বানাননি।’

ঝর্ণার ডায়েরিতে লেখা, বি’য়ের আশ্বাসের বিনিময়ে অ’বৈ’ধ মেলামেশা করতেন মামুনুল যা মেনে নিতে পারেননি ঝর্ণা। বি’য়ে না ক’রে দী’র্ঘ’দি’ন ধরে তার সাথে মেলামেশা ক’রেছেন মামুনুল হক। বিবাহবহির্ভুত মেলামেশার অনুশোচনার কথাও উঠে এসেছে ঝর্ণার ডায়েরিতে। ডায়েরির পাতায় পাতায় রয়েছে মামুনুলের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের আর্তনাদ।

ডায়েরিতে ঝর্ণা লেখেন, আমি তাকে ভালোবাসি না ঘৃণা করি বুঝতে পারছি না। কিন্তু সে আমার জীবনকে নরক বানিয়ে ফেলছে। ডায়েরিগুলো তার মায়ের বলে নিশ্চিত ক’রে ঝর্ণার বড় ছেলে আব্দুর রহমান বলেন, ‘একজন মহিলার সন্তানের জ’ন্ম সাল। তার বি’য়ে বিচ্ছেদ ও তার মনের দুঃখের কথা কি অন্য কেউ লেখে।

এটা তার বাসা থেকে পাওয়া। আর এটা আমার মায়ের ডায়েরি।’ ঝর্ণা পুত্র আরো বলেন, আমাকে সে (ঝর্ণা) বলেছিলো আমার কিছু ব্যক্তিগত ডায়েরি আছে। আমি ডায়েরির বিষয়ে শিওর কারণ এটা আমার মায়েরই হাতের লেখা। ডায়েরিতে ঝর্ণা বি’য়ে প্রস’ঙ্গে লিখেছেন, মামুনুল হক বি’য়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন।
ভিডিওটি-

কিন্তু সেই স্বপ্ন তিনি পূরণ ক’রেননি। এ বিষয়ে ঝর্ণা পুত্র ডায়েরির রেফারেন্স দিয়ে বলেন, তাদের মধ্যে একটি এ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছিলো। কিন্তু বি’য়ে হয়নি।ঝর্ণা পুত্র আবারও বললেন, কাউকে বিশ্বাস করার আগে ভালো ক’রে যাচাই বাছাই করার জন্য। কারণ মুখোশধারী মানুষকে দাড়ি টুপিতে চেনা যায় না।

মামুনুল হকের বি’চা’র দাবী ক’রেন ঝর্ণার বড় ছেলে আব্দুর রহমান। কয়েকদিন ধরে ব্যা’প’ক আলোচনা-সমালোচনার পর গতকাল বৃহস্পতিবার ফেসবুক লাইভে এসে বিষয়টির জন্য ক্ষ’মা চান মামুনুল হক। সেখানে তিনি স্বী’কা’র ক’রেন গত কয়েক দিনে ফাঁস হওয়া ফোনালাপ তারই ছিল। আত্মপক্ষ সমর্থন ক’রে মামুনুল বলেন,

‘স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে, স্ত্রীকে খুশি করতে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে কোনো সত্যকে গো’প’ন করা যায়।’ উল্লেখ্য, ৩ এপ্রিল বিকেলে রাজধানীর অদূরে সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে হেফাজত নেতা মামুনুল হক একজন না’রীসহ অ’ব’স্থান ক’র’ছে’ন এমন খবর পেয়ে স্থা’নী’য় কিছু লোকজন, ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-ক’র্মীরা তাঁর কক্ষটি ঘেরাও ক’রেন।

যদিও মামুনুল হক স’ঙ্গে থাকা না’রীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি ক’রেন। পরে সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে হেফাজতের একদল নেতা–ক’র্মী, মাদ্রাসাছাত্র মিছিল নিয়ে এসে রয়েল রিসোর্ট নামের ওই অবকাশযাপন কেন্দ্রটিতে ব্যা’প’ক ভা’ঙ’চু’র চালিয়ে মামুনুলকে ছি’নি’য়ে নিয়ে যায়।

error: Content is protected !!