Breaking News
Home / সময়ের সংবাদ / যে কারনে নিজের ছেলেকে ভাই ডাকেন শ্রাবন্তী

যে কারনে নিজের ছেলেকে ভাই ডাকেন শ্রাবন্তী

নিজে’র কাজ ও ব্য’ক্তি জীবন নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন টালিসু’ন্দরী শ্রাবন্তী। এরই মাঝে সামনে চলে এসেছে রাখি ব’ন্ধন।  আর এই উৎসবের আগে পশ্চিমবঙ্গের নিউজ পোর্টাল এবেলা.ইনকে জা’নালেন তিনি নতুন খবর।

নিউজ পোর্টালটির স’ঙ্গে ফেসবুকে চ্যাটে নিজে’র ছে’লেকে ‘ভাইয়ের মতো’ বলে মন্তব্য করে বসেছেন তিনি। ‘ছে’লে কেমন আছে’, এবেলার এমন প্রশ্নের উত্তরে শ্রবান্তী বলেন, ‘দারুণ! ও তো আর আমা’র ছে’লে নেই গো! আমা’র ছে’লে আমা’র ভাই হয়ে গিয়েছে। লম্বায় আমা’র সমান। আর কী’ পার্সোনালিটি! ভাই বলেই ডাকি এখন।’ শ্রাবন্তীর এমন উত্তরে নিউজ পোর্টলটির আশং’কা,

এবার হয়তো ছে’লের হাতেই ভাইয়ের জন্য বরাদ্দ রাখি বাঁধবেন শ্রাবন্তী। প্রসঙ্গত দীর্ঘ ১৩ বছর সংসার জীবনের পর ২০০৩ সালে টালি সিনেমা’র পরিচালক রাজীব বিশ্বা’সের স’ঙ্গে বিবাহবি’চ্ছেদ ঘ’টে শ্রাবন্তীর। এর পর গত বছর ১০ জুলাই কৃষ্ণ ভিরাজে’র স’ঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি। বিয়ের তিন মাস যেতে না যেতেই সে স’স্পর্কও বি’চ্ছেদে রূপ নেয়।

আরোও পড়ুনঃ সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেই সাজগোজ করে বের হন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণী—সোহানা আফরিন। লম্বা, শ্যামবর্ণের আকর্ষণীয় তরুণী। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেই সাজগোজ ক’রে বাসা থেকে বের হন। একেক দিন একেক রকম সাজে। কখনও টিশার্ট-প্যান্ট, কখনও শাড়ি।বাতাসে ছড়িয়ে যায় দামী পারফিউমের ঘ্রা’ণ। গাড়িতে ওঠার আগে-পরে মানুষের দৃষ্টি কেড়ে নেন তিনি।

অবশ্য সন্ধ্যা ছাড়া দিনের বেলাতেও কখনও কখনও এভাবেই বের হতে হয়। দুই-তিন ঘন্টার মধ্যে আবার ফেরেন বাসায়। মাঝে মধ্যে রাত শেষে সকালে ফেরা হয় তার। আফরিন বলেন, এটি পার্ট টাইম জব। এই জব বদলে দিয়েছে সোহানা আফরিনের জীবন-যাপন। মাস শেষে আগে যেখানে দুশ্চি’ন্তা হতো টাকা আসবে কোত্থেকে। বাসা ভাড়া, নিজের লেখাপড়ার খরচ। সবমিলিয়ে দুশ্চি’ন্তার শেষ ছিলো না।

এখনতো দু’হাতে খরচ করতে পারেন। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এই মেয়ে এখন প্রতি মাসে টাকা পাঠান মা-বাবার কাছে বরিশালের মুলাদীতে। পরিবারের সবাই জানেন তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি চাকরি ক’রেন। আগে মেয়েদের স’ঙ্গে মেসে থাকতেন। দুই মাস হলো তিন বান্ধবী মিলে বাসা নিয়েছেন ঝিগাতলায়। নাম-পরিচয় প্র’কা’শ না করার শর্তে আফরিনের (ছদ্মনাম) স’ঙ্গে কথা হয়।

তিনি জানান, মা-বাবা বড় সন্তান তিনি। বাবা গরীব কৃষক। ঢাকায় মেয়েদের একটি কলেজে অনা’র্সে ভর্তি হন। টিউশনি ক’রে ও বাবার পাঠানো অল্প টাকায় টেনে টেনে চলতেন। ক’ষ্টের শেষ ছিল না। এরমধ্যেই এক আপু তাকে নিয়ে যান এক পার্টিতে। তার আগে পার্লারে গিয়ে সাজেন দু’জন। রাত ৯টার দিকে যান বনানীর এক বাসায়। বাসায় ঢুকেতো সোহানা হতভম্ব। পার্টি বলতে বাসায় দু’জন পু’রু’ষ মানুষ।

একজন বেশ পরিচিত। রাজনীতি ক’রেন। একটি দলের অ’ঙ্গ সংগঠনের নেতা। অন্যজন তার ব্য’ব’সায়ী বন্ধু।টেবিলে সাজানো খাবার। স’ঙ্গে রেড ওয়াইন। সিনিয়র ওই আপা তাকে বুঝিয়ে বলেন, একজনের স’ঙ্গে একান্তে সময় কা’টাতে হবে। পুরো রাত। বি’নি’ম’য়ে টাকা পাবে। তাছাড়া তাদের অনেক প্রভাব। সুস’ম্প’র্ক রাখলে ভালো। কাজে আসবে। গল্পটি প্রায় এক বছর আগের।

সেইরাতে দু’ তরুণী দু’পু’রু’ষের স’ঙ্গে রাত্রি যাপন ক’রেন। সেই থেকে শুরু। টাকার নেশা পেয়ে বসে সোহানাকে। তার ডাক পড়ে বিভিন্ন তারকা হো’টে’লে, বাসায়। তার পু’রু’ষ সঙ্গীরা সব বিত্তশালী। সোহানাকে হাই প্রোফাইল গার্ল হিসেবে জানেন এই জগতের পরিচিতরা।সম্প্রতি একটি অনলাইন গ্রুপে কাজ ক’রেন এই তরুণী। গুলশানের একটি হো’টে’লে পরিচয় হয়েছিলো এক যুবকের স’ঙ্গে।

তার মাধ্যমেই যুক্ত হন সেখানে। অনলাইনে এসর্কট সার্ভিস দেন এই যুবক। এজন্য কিছু ছবি তোলতে হয় তাকে। মুখ আড়াল করা ছবি। স’ঙ্গে সংক্ষি’প্ত প্রোফাইল। লম্বা, গায়ের রং.. এসব। খদ্দেরকে তা দেখিয়ে তবেই (তাদের ভাষ্যমতে) ‘প্রো’গাম কনফার্ম’ করা হয়। এই মাধ্যমে সোহানার আয় বেড়েছে বেশ। করোনার শুরুতে ভাটা পড়েছিলো। এখন আবার তুঙ্গে। সোহানা জানান, গুলশান, উত্তরা ও এলিফ্যান্টে রোডে ফ্ল্যাট বাসাও রয়েছে এই অনলাইন সার্ভিস গ্রুপের। যে কারণে তিনি সদস্য হয়েছেন। আয় থেকে ৩০ পার্সেন্ট নেন অনলাইন কর্তৃপক্ষ।

সোহানা জানান, এসব প্রো’গামে যাওয়ার আগে খদ্দের কোন এলাকার তা জেনে নেন। যেনো পরিচিত কারও কাছে যেতে না হয়। তিনি বলেন, এই পথ থেকে সরে যাবেন শিগগিরই। এখানে টাকা আছে তবুও এটা কোনো সুন্দর জীবনযাপন না। হঠাৎ ক’রেই এই পথে চলে এসেছেন তিনি। অসংখ্য মানুষের মনোরঞ্জন করতে হয়। এটা আর ভালোলাগে না তার। মাস্টার্স শেষ ক’রে নিজেই ছোটখাটো একটি ফ্যাশন হাউজ চালু করবেন। মেয়েদের চাকরি দেবেন। সংসার করবেন। সূ’ত্র: মানবজমিন।

error: Content is protected !!